প্রথম পাতা » ভেষজ পণ্য » ইনসুলিন প্লান্ট



পন্যের নাম: ইনসুলিন প্লান্ট

পন্য ক্রমিক নং: ৩৭২

বিস্তারিত: ইনসুলিন প্লান্ট
এই প্রজন্মে যে রোগগুলি দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নাগরিক জীবনে, সেগুলির মধ্যে অন্যতম মধুমেহ (blood sugar)। ডায়াবেটিস বা মধুমেহর ফলে ধীরে ধীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমতে থাকে। মধুমেহ রোগে অত্যন্ত কার্যকর হল ইনসুলিন প্ল্যান্ট (insulin plant)। ন্যাশনাল সেন্টার ফর বায়োটেকনলজি ইনফরমেশন বা এনসিবিআই-এর মতে, রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা যায় এই এই গাছের পাতার প্রভাবে। ইনসুলিন প্ল্যান্টের বৈজ্ঞানিক নাম কস্টাস ইগনেয়াস। (Insulin plant in blood sugar)

তবে প্রথমেই জেনে রাখা ভাল যে এই গাছের কোনও অংশে ইনসুলিন নেই। বা এটা দেহে ইনসুলিন তৈরিও করে না। কিন্তু এই গাছে েয রাসায়নিক থাকে তার প্রভাবে শুগার পরিবর্তিত হয় গ্লাইকোজেনে। পাশাপাশি এর প্রভাবে মেটাবলিজম বাড়িয়ে তোলে।
ইনসুলিন গুল্ম বা কস্টাস ইগনেয়াস আয়ুর্বেদে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই গুল্মের পাতা চিবিয়ে খেলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রিত হয বহু মাত্রায়। তবে এর স্বাদ জিভে কিছুটা টক টক লাগতে পারে। এই গাছের আরও অনেক নাম আছে। ক্রেপ জিঞ্জার, কেমুক, কিউ, কিকন্দ, কুমুল, পকরমুলা এবং পুষ্করমুলা নামেও এই গাছ পরিচিত। দেখে নেওয়া যাক এর গুণাগুণ-
১. ইনসুলিন পাতা চিবোলে মেটাবলিক প্রক্রিয়া বাড়ে
২. এই গাছের প্রাকৃতিক ও রাসায়নিক উপাদান মানবদেহের শর্করাকে গ্লাইকোজেনে রূপান্তরিত করে।

৩. সর্দি কাশি, ত্বকের সংক্রমণ, চোখের সমক্রমণ, ফুসফুসের রোগ, হাঁপানি, ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্যর মতো সমস্যাকে নিয়ন্ত্রণ করে ইনসুলিন গাছের পাতা।

আরও পড়ুন : সামান্য কিছু উপকরণেই ত্বকে বয়সের ছাপ লুকিয়ে রাখুন

কী করে খাবেন-

এই গাছের পাতা দু’টি নিয়ে ধুয়ে চটকে নিন। এ বার গ্লাস জলে ওই পাতার ক্বাত্থ তৈরি করে নিয়মিত পান করুন। বাড়িতে বছরের যে কোনও সময়ে এই গাছ লাগানো যায়। বিশেষ যত্নআত্তির দরকার পড়ে না। গুল্মজাতীয় এই উদ্ভিদে সার মাঝে মাঝে দিতে পারেন। পাশাপাশি জল দিতে হবে নিয়মিত।

Published by: Arpita Roy Chowdhury

First published: March 28, 2022, 16:23 IST

দর: ৫০০ টাকা

ষ্টক: ৩৫

পন্য সংযুক্তির তারিখ: ২০ আগষ্ট ২০২২

পণ্যের ধরণ: ভেষজ পণ্য

পন্য প্রাপ্তির স্থান: মুন্সিগঞ্জ




আরো কিছু পন্য